আমার প্রিয় নবী

তথ্যসূত্র

- পবিত্র কুরআন

- Envâr-üt-tenzîl – কাজি বাইজাবি

- Tefsîr-i Mazharî – সানাউল্লাহ পানিপথি

- Tefsîr-i Kurtubî – ইমাম কুরতুবি

- Tefsîr-i Beydâvî – কাজি বাইজাবি

- Tefsîr-i Kebîr – ফখরুদ্দিন রাজি

- Tefsîr-i Hâzin – আলাউদ্দিন বাগদাদি

- Tefsîrü’l- Kur’ân – ইমাম তিরমিজি

- Tefsîrü’l- Kur’ân-ı azim – আবুল ফিদা

- Sahîh-i Buhârî – ইমাম বুখারি

- Sahîh-i Müslim – ইমাম মুসলিম

- Sünen-i Dârekütnî – দারাকুতনি

- Sünen-i Tirmizî – ইমাম তিরমিজি

- Muvattâ – ইমাম মালিক

- Müstedrek – হাকিম নিশাপুরি

- Sünen-i İbni Mâce – ইবনে মাজাহ

- Sünen-i Beyhekî – বায়হাকি

- Sünen-i Dâvûd – আবু দাউদ

- Sünen-i sâgir – ইমাম নাসায়ি

- Müsned – বাজ্জার

- Müsned – দারিমি

- Müsned – আবু ইয়ালা

- Müsned – ইমাম আহমদ ইবনে হাম্বল

- Sahîh – ইবনে হিব্বান

- Ahbâr-u Mekke – আজরাকি

- Birgivî Vasiyetnâmesi – İmâm-ı Birgivî

- Câliyetü’l-ekdâr – মাওলানা খালিদ বাগদাদি

- Câmi-ul Ehâdis – সুয়ুতি

- Cevâb Veremedi – Harputlu İshâk Efendi

- Delâilü’n-Nübüvve – আবু নুআইম ইসফাহানি

- Delâilü’n-Nübüvve – বায়হাকি

- Dinî Sözlük – Türkiye Gazetesi

- El-Bidâye ve’n-nihâye – ইবনে কাসির (আবুল ফিদা)

- Ensâbu’l-eşrâf – বালাজুরি

- El-Envâr – বাগাবি

- El-İktifâ fî megâz-il-Mustafâ vesselâset-il-hulefâ – কিলায়ি

- El-Leâli’l-Masnûa – সুয়ুতি

- El-Mu’cemu’s-sağîr – ইমাম তাবারানি

- El-Muhabber – ইবনে হাবিব

- El-Musannef – ইমাম আবদুর রাজ্জাক সানআনি

- El-Musannef – ইমাম ইবনে আবি শাইবা

- El-Vefâ bi ahvâl-il-Mustafâ – ইবনে জাওজি (আবদুর রহমান জাওজি / আবুল ফারাজ ইবনে জাওজি)

- Evsaf-un Nebî – সুয়ুতি

- Feyz-ül-kadîr – মুনাবি

- Fütühu’l-büldân – বালাজুরি

- Herkese Lâzım Olan Îmân – Hacı Feyzullah Efendi

- Hilyet-ül-evliyâ – আবু নুআইম

- İhyâ – ইমাম গাজালি

- İnsân-u’l-uyûn – নুরুদ্দিন আলি হালাবি

- İsâbe – ইবনে হাজার আসকালানি

- İsbâtü’n-Nübüvve – ইমাম রব্বানি

- İslâm Âlimleri Ansiklopedisi – Türkiye Gazetesi

- İstiâb – ইবনে আবদিল বার

- İ’tikâdnâme – মাওলানা খালিদ বাগদাদি

- Keşf-ül-hafâ – ইসমাইল আজলুনি

- Kısas-ı Enbiyâ – Ahmed Cevdet Paşa

- Kimyâ-i Se’âdet – ইমাম গাজালি

- Me’âricü’n-Nübüvve Tercümesi (Peygamberler Tarihi) – Altıparmak Muhammed Efendi

- Mecma’uz-zevâid – হাইসামি

- Megâzî – ওয়াকিদি

- Mektûbât-ı İmâm-ı Rabbânî – ইমাম রব্বানি

- Mektûbât-ı Ma’sûmiyye – মুহাম্মদ মাসুম ফারুকি

- Mevâhib-i ledüniyye – কাসতাল্লানি

- Mevlid-i Şerîf (Vesîletü’n-necât) – Süleyman Çelebi

- Mir’ât-ı Kâinât – Nişancızâde Muhammed Efendi

- Mu’cem-ül-Kebîr – তাবারানি

- Mukaddime – দারিমি

- Ravd-ül-ünf – সুহাইলি

- Siret – ইবনে কাসির

- Sîret-i Resûl – ইবনে ইসহাক

- Sîretü’n-Nebeviyye – ইবনে হিশাম

- Sîretü’n-Nebî – আহমদ ইবনে জাইনি দাহলান

- Siyerü’l-Kebîr – ইমাম মুহাম্মদ

- Siyer-il-kebîr şerhi – ইমাম সারাখসি

- Sübülü’l-Hüdâ – শামসুদ্দিন শামি

- Şemâil-i şerîfe – ইমাম তিরমিজি

- Şifâ-i şerîf – কাজি ইয়াজ

- Şevâhidü’n-Nübüvve – মাওলানা আবদুর রহমান জামি

- Şu’ab-ül-îmân – বায়হাকি

- Tabakât-ül-kübrâ – আবদুল ওয়াহহাব শারানি

- Tabakât-üs-Sahâbe – ইবনে সাদ

- Târih-ül-Kebîr – বুখারি

- Tahrîc – খুজায়ি

- Tarih-i Dımeşk (Şâm târîhi) – ইবনে আসাকির

- Tam İlmihâl Se’âdet-i Ebediyye – Hüseyin Hilmi Işık

- Târih-i Taberî – তাবারি

- Târih-ül-İslâm – ইমাম জাহাবি

- Terâtîb-ül-idâriyye – কাত্তানি

- Usudü’l-gâbe – ইবনুল আসির

- Uyûn-ül-eser – ইবনে সাইয়্যিদুন নাস

দ্বিতীয় আবদুল হামিদ খান

“ইলদিজ” অ্যালবামসমূহ। মক্কা – মদিনা

আলোকচিত্রসমূহ

কাবা শরীফ – মক্কা মুকাররমা মসজিদুল হারামের প্রবেশদ্বার

সাফা পাহাড় – মক্কা মারওয়া পাহাড় – মক্কা

মক্কায় সুররায়ে হুমায়ুন প্রথম আবদুল হামিদ খানের নির্মিত জমজম কূপ

মাওলিদে বাইতে শরীফ (১৯০৯)

বড় ছবিতে এবং ডান দিকের নিচের ছবির ডান পাশে যে এক গম্বুজ ও এক মিনারবিশিষ্ট মসজিদটি দেখা যাচ্ছে, সেটিই সেই বরকতময় স্থান, যেখানে রাসূলুল্লাহ দুনিয়ায় আগমন করে দুনিয়াকে ধন্য করেছিলেন।

মহানবী হিজরতের সময় এই বরকতময় ঘরটি হযরত আলির (রাদিয়াল্লাহু আনহু) ভাই আকিল ইবনে আবি তালিবের কাছে সোপর্দ করেছিলেন। আকিলের নাতিরা আবার এটি হাজ্জাজের ভাই মুহাম্মদ ইবনে ইউসুফ সাকাফির কাছে বিক্রি করে দিয়েছিল।

পরে আব্বাসি খলিফা হারুনুর রশিদের মা খাইজুরান খাতুন এই বরকতময় ঘরটি কিনে নিয়ে মসজিদে রূপান্তর করেন।

আব্বাসিদের পরে মামলুকরা এই মসজিদটি সংরক্ষণ করে; উসমানি আমলেও এটি যত্নের সঙ্গে রক্ষা করা হয়।

কানুনি সুলতান সুলাইমান খান মসজিদটি নতুন করে নির্মাণ করান এবং আমাদের নবীর জন্মস্থানটি রুপার শিকবিশিষ্ট বেষ্টনী দিয়ে ঘিরে দেন।

সুলতান প্রথম আহমদ খানও সোনার দোলনার আকারে তৈরি করানো একটি মাকাম-কুরসি এই বেষ্টনীর ভেতরে স্থাপন করান।

সুলতানদের মায়েরা গভীর যত্নে এই মসজিদের দেখাশোনা করতেন, আর এর প্রয়োজনীয় সামগ্রী সরবরাহ করতেন রাজপ্রাসাদের নারীগণ।

এ বিষয়ে সবচেয়ে বেশি খেদমত করেছেন সুলতান চতুর্থ মেহমেদের স্ত্রী (দ্বিতীয় মুস্তফা ও তৃতীয় আহমদ খানের মা) আমাতুল্লাহ রাবিয়া গুলনুশ সুলতান।

ইতিহাসের পরিক্রমায় এই মসজিদ বহুবার সংস্কার করা হয়েছে।

১৯২৪ খ্রিস্টাব্দে ভেঙে ফেলা মসজিদের স্থানে শাইখ আব্বাস কাত্তান ১৯৫০ খ্রিস্টাব্দে যে ভবন নির্মাণ করান, তা ১৯৫৯ খ্রিস্টাব্দ থেকে মক্কার গণগ্রন্থাগার হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে।

আজইয়াদ দুর্গ (১৮৯০)

পবিত্র ভূমিতে সর্বশেষ উসমানি নিদর্শন – রিওয়াকসমূহ

বাইতুল্লাহকে ঘিরে প্রথম ছাউনিগুলো স্থাপন করা হয় হযরত উসমানের (রাদিয়াল্লাহু আনহু) সময়ে। পরে আব্বাসি খলিফা মাহদির নির্মিত রিওয়াকগুলো কালক্রমে জীর্ণ হয়ে পড়ে।

কানুনি সুলতান সুলাইমান স্থপতি সিনানকে রিওয়াকগুলোর সংস্কারের দায়িত্ব দেন; এই সংস্কারের পর রিওয়াকগুলোর ওপর গম্বুজ যোগ করা হয়। স্থপতি সিনানের শিষ্য স্থপতি মেহমেদ আগা ১৫৯০ খ্রিস্টাব্দে রিওয়াকের স্তম্ভগুলোতে নতুন সংযোজন করেন এবং কাঠের তৈরি খুঁটি ও খিলানগুলো মার্বেল দিয়ে নতুন করে নির্মাণ করেন।

সুলতান আবদুল আজিজ ও দ্বিতীয় আবদুল হামিদ খানের সময়েও এগুলোর রক্ষণাবেক্ষণ করা হয়।

২০১৪ খ্রিস্টাব্দে কাবা সম্প্রসারণ প্রকল্পের আওতায় রিওয়াকগুলো খুলে আরাফাতের কাছের নির্মাণক্ষেত্রে সরিয়ে নেওয়া হয়। ২০১৬ খ্রিস্টাব্দে সেগুলো আবার যথাস্থানে স্থাপন করা হয়।

মদিনা রেলস্টেশন

হযরত উসমানের মাজার

কাবা শরীফ

জান্নাতুল মুআল্লা কবরস্থানের প্রবেশপথ

একটি উসমানি পাহারাচৌকি – মক্কা মুকাররমা

কানুনির নির্মিত সু হানিয়া দুর্গ – মদিনা মুনাওয়ারা

মদিনা মুনাওয়ারা

মক্কা মুকাররমা

১. আজইয়াদ দুর্গ

আজইয়াদ দুর্গ সুলতান প্রথম আবদুল হামিদ খানের আমলে কাবার সুরক্ষা, হাজিদের নিরাপত্তা এবং মক্কা নগরীর শান্তিশৃঙ্খলা ও প্রতিরক্ষার জন্য ১৭৮১–১৭৮৩ খ্রিস্টাব্দের মধ্যে নির্মিত হয় এবং প্রথম বিশ্বযুদ্ধে তুর্কি সেনানিবাস হিসেবে ব্যবহৃত হয়। কিন্তু উসমানিদের স্মৃতিচিহ্ন আজইয়াদ দুর্গ ২০০২ খ্রিস্টাব্দে ভেঙে ফেলা হয়।

২. উমর পাহাড়

৩. হিন্দ দুর্গ: মক্কার নিরাপত্তা বাড়ানোর জন্য হিন্দ দুর্গও ১৮০৬ খ্রিস্টাব্দে সুলতান তৃতীয় সেলিম খান নির্মাণ করান।

মদিনা মুনাওয়ারা

১. উহুদ পাহাড়
২. মাজিদিয়া মিনার

মাজিদিয়া মিনারটি মসজিদের বাবুস সালাম ও বাবুর রহমত নামের অন্যান্য মিনারের মতোই সুলতান আবদুল মাজিদ খান নির্মাণ করান। মিনারগুলোতে উসমানি স্থাপত্যরীতির প্রতিফলন রয়েছে। ৩. কুব্বায়ে সাআদাত (কুব্বায়ে খাদরা – সবুজ গম্বুজ): মিসরের তুর্কমান সুলতান সাইফুদ্দিন সালিহ কালাউন ৬৭৮ সনে [খ্রিস্টাব্দ ১২৭৯] হুজরায়ে সাআদাতের ওপর বর্তমান গম্বুজটি নির্মাণ করিয়ে সীসা দিয়ে আবৃত করান। ১২৫৩ সনে [খ্রিস্টাব্দ ১৮৩৭] সুলতান দ্বিতীয় মাহমুদ খানের (রহমাতুল্লাহি আলাইহি) আদেশে গম্বুজটি সবুজ রং করা হয়।

৪. রাইসিয়া মিনার

রাইসিয়া মিনারটি মামলুকরা নির্মাণ করেছিল; কানুনি সুলতান সুলাইমান খান ও চতুর্থ মেহমেদ খানের সময়ে এর সংস্কার করা হয়। প্রধান মুয়াজ্জিন এখান থেকে আজান দিতেন বলে এই প্রধান মিনারটিকে রাইসিয়া বলা হয়।

৫. খালিদিয়া পাহারাচৌকি

৬. কিশলায়ে আসাকিরে শাহানে (উসমানি সেনানিবাস)

৪. ফুলফুল দুর্গ

মক্কার নিরাপত্তা যথেষ্ট না হওয়ায় ফুলফুল দুর্গ ১৮০০–১৮০১ খ্রিস্টাব্দের মধ্যে সুলতান তৃতীয় সেলিম খান নির্মাণ করান।

১৮৮৫ খ্রিস্টাব্দে ওসমান নুরি পাশা যখন মক্কার আমির ছিলেন, তখন এটিকে হাসপাতালে রূপান্তর করা হয়।

টীকা:

হিন্দ ও ফুলফুল দুর্গও আজইয়াদ দুর্গের আগেই ভেঙে ফেলা হয়েছিল।

৭. মসজিদে গামামা

আরবি “গামামা” শব্দের অর্থ মেঘ। যে মেঘ মহানবীকে (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ছায়া দিত, তিনি মসজিদে নববিতে যাওয়ার সময় সেটি এখানে অপেক্ষা করত বলে এ জায়গার নাম হয় “মেঘের স্থান”, আর মসজিদটিও একই নাম পায়। মহানবী এখানে ঈদের নামাজ আদায় করতেন। সুলতান আবদুল মাজিদ খানের সময়ে মসজিদটির সংস্কার করা হয়।

৮. হযরত আবু বকর মসজিদ

বর্তমানে হযরত আবু বকর মসজিদে অবস্থিত উসমানি শিলালিপিতে লেখা আছে যে, মসজিদটি সর্বশেষ সুলতান আবদুল আজিজ খান সংস্কার করিয়েছিলেন। ছবিটি এই সংস্কারের কয়েক বছর পরে তোলা।

৯. হযরত আলি মসজিদ

মহানবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এখানে ঈদুল ফিতরের নামাজ পড়িয়েছিলেন। হযরত আলিও (রাদিয়াল্লাহু আনহু) তাঁর খিলাফতকালে এবং হযরত উসমান (রাদিয়াল্লাহু আনহু) যখন নিজ ঘরে অবরুদ্ধ ছিলেন, তখন একই স্থানে ঈদের নামাজ পড়িয়েছিলেন। এ জন্য এর নাম হয় “হযরত আলি মসজিদ”।

১০. ফাতিমাতুজ জাহরা সাবিল

কাবা – হারাম শরীফ

১. মাকামে মালিকি
২. মাকামে হানাফি
৩. হাজরে আসওয়াদ
৪. মাকামে ইবরাহিম ও মাকামে শাফেয়ি

৫. জমজম শরীফ কূপ

৬. মাকামে হাম্বলি

৭. মুওয়াক্কিতখানা: মুওয়াক্কিতগণ যেখানে দায়িত্ব পালন করেন, সময় ও নামাজের ওয়াক্ত নির্ধারণের কাজ করেন এবং যার ভেতরে সময় নির্ধারণে ব্যবহৃত যন্ত্রপাতি ও মিলিয়ে রাখা ঘড়ি থাকে – ছোট একটি মানমন্দিরের মতো এমন ভবনকে মুওয়াক্কিতখানা বলা হয়। সাধারণত এগুলো বড় মসজিদের পাশে থাকে। ঘড়ি মিলিয়ে রাখা এবং বিশেষ করে নামাজের ওয়াক্ত নির্ধারণকারী কর্মীদের মুওয়াক্কিত বলা হয়; তাঁদের ব্যয়ভার ওয়াকফ থেকে বহন করা হয়। ৮. গ্রন্থাগার: জান্নাতমাকান সুলতান আবদুল মাজিদ খান ১২৬২ সনে (খ্রিস্টাব্দ ১৮৪৬) কাবার পূর্ব দিকে অবস্থিত, পুরোনো আমলের, প্রতিটিতে ছয় মিটার ব্যাসের গম্বুজবিশিষ্ট দুটি ভবনের একটিকে মুওয়াক্কিতখানায় এবং অন্যটিকে গ্রন্থাগারে রূপান্তর করান [Mirâtü’l Haremeyn – Mirâtü’l Mekke, II, ৭৭০]। আবদুল মাজিদ খান গ্রন্থাগারে ৩,৬৫৩ খণ্ড বই দান করেন।

আস-সালাতু হাওলাল কাবা (কাবার চারপাশে নামাজ)

কুব্বায়ে সাআদাত ও রাইসিয়া মিনার

১. ফাতিমাতুজ জাহরার বাগান
২. উসমান মিহরাবের গম্বুজ

পবিত্র নগরী মদিনা মুনাওয়ারা

মসজিদে নববি

মানাহা ময়দান (উটের বাজার)

জান্নাতুল বাকি কবরস্থান

১. হযরত ইমাম মালিক ও হযরত নাফির মাজার

২. হযরত আকিল ইবনে আবি তালিব (আমাদের নবীর চাচাতো ভাই) ও হযরত আবদুল্লাহ ইবনে জাফর তাইয়ারের (আমাদের নবীর চাচার নাতি, জাফর তাইয়ারের পুত্র) মাজার

৩. আজওয়াজে মুতাহহারাতের মাজার:

এই মাজারে হযরত খাদিজা ও হযরত মাইমুনা ছাড়া নবীর সকল স্ত্রী সমাহিত আছেন। হযরত আয়েশার কবরও যেখানে রয়েছে, সেই মাজারটি ১৫৪৩ খ্রিস্টাব্দে কানুনি সুলতান সুলাইমান নতুন করে নির্মাণ করান।

৪. হযরত ইবরাহিম ইবনে রাসূলুল্লাহর (রাদিয়াল্লাহু আনহু) মাজার

আমাদের নবীর নিজ পরিবারের মধ্যে জান্নাতুল বাকিতে প্রথম যাঁকে দাফন করা হয়, তিনি তাঁর পুত্র ইবরাহিম, যিনি শিশু অবস্থায় ইন্তেকাল করেন।

আর হযরত উসমান ইবনে মাজউন জান্নাতুল বাকিতে দাফনকৃত প্রথম সাহাবী। ৫. বানাতুন নবীর মাজার: এখানে মহানবীর কন্যা হযরত রুকাইয়া, হযরত উম্মে কুলসুম ও হযরত জয়নব (রাদিয়াল্লাহু আনহুন্না) সমাহিত আছেন।

৬. হযরত ফাতিমা বিনতে আসাদের (রাদিয়াল্লাহু আনহা) মাজার

৭. মুরদিআতুল মুরসালিন হযরত হালিমা সাদিয়া: এখানে মহানবীর (আলাইহিস সালাম) দুধমা হযরত হালিমা (রাদিয়াল্লাহু আনহা) সমাহিত আছেন।

৮. হযরত উসমান ইবনে আফফানের (রাদিয়াল্লাহু আনহু) মাজার: তৃতীয় খলিফা হযরত উসমানের (রাদিয়াল্লাহু আনহু) মাজার ১২০৫ সালে সালাহউদ্দিন আইয়ুবি নির্মাণ করান। উসমানিদের সময়ে এর সংস্কার ও রক্ষণাবেক্ষণ করা হয়। ৯. আহলে বাইতের মাজার: এই মাজারে হযরত আব্বাস (মহানবীর চাচা), হযরত ইমাম হাসান মুজতাবা, হযরত ইমাম জয়নুল আবেদিন, হযরত ইমাম মুহাম্মদ বাকির ও হযরত ইমাম জাফর সাদিক (রাদিয়াল্লাহু আনহুম) সমাহিত আছেন।

১০. হযরত ফাতিমাতুজ জাহরার মাজার
টীকা:

জান্নাতুল বাকিতে মহানবীর চার কন্যা ও এক পুত্র সমাহিত আছেন। জান্নাতুল বাকিতে সমাহিত যেসব বিশিষ্ট সাহাবীর কবরের স্থান ছবিতে দেখানো হয়নি, তাঁদের মধ্যে রয়েছেন আবদুর রহমান ইবনে আওফ, সাদ ইবনে আবি ওয়াক্কাস, আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ, সুহাইব ইবনে সিনান, আবু হুরায়রা, আবু সুফিয়ান ইবনে হারব, সাদ ইবনে মুআজ ও সুফিয়ান ইবনে হারিস (রাদিয়াল্লাহু আনহুম)। ১৮০৬ খ্রিস্টাব্দে মদিনা দখল করা হলে জান্নাতুল বাকির কবরফলক ও মাজারগুলো ভেঙে ফেলা হয়। সুলতান দ্বিতীয় আবদুল হামিদ খানের সময়ে কবরফলকগুলো মেরামত করা হয় এবং মাজারগুলো নতুন করে নির্মাণ করা হয়। এই ছবিটি সেই পুনর্নির্মাণের পরে তোলা।

কিন্তু ১৯২৬ খ্রিস্টাব্দে হারামাইনে উসমানিদের খেদমত শেষ হওয়ার পর জান্নাতুল বাকি আবারও একই পরিণতির শিকার হয়।

জান্নাতুল মুআল্লা কবরস্থান

১. খাদিজাতুল কুবরার (রাদিয়াল্লাহু আনহা) মাজার: মহানবীর (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) স্ত্রী হযরত খাদিজার (রাদিয়াল্লাহু আনহা) জান্নাতুল মুআল্লায় অবস্থিত মাজারটি ১৫৪৩ খ্রিস্টাব্দে কানুনি সুলতান সুলাইমান মক্কার নায়েব দাউদ পাশার তত্ত্বাবধানে নির্মাণ করান।

এর আগে মাজারের স্থানে কাঠের একটি সিন্দুক ছিল।

২. আজদাদে রাসূলিল্লাহর মাজার: এই মাজারে মহানবীর দাদা আবদুল মুত্তালিব ও তাঁর ঊর্ধ্বতন দাদা আবদে মানাফের কবর রয়েছে।

৩. আবু তালিবের মাজার

৪. আমাদের প্রিয় নবীর বরকতময় মা হযরত আমিনার (রাদিয়াল্লাহু আনহা) মাকাম হিসেবে পরিচিত মাজার

মা আমিনার কবর সবচেয়ে প্রসিদ্ধ বর্ণনা অনুযায়ী আবওয়ায়। তবে কোনো কোনো সূত্রে বর্ণিত আছে যে, তাঁকে জান্নাতুল মুআল্লায় স্থানান্তর করা হয়েছিল।

টীকা:

এই মাজারগুলো ১৮৭৯ খ্রিস্টাব্দে সুলতান দ্বিতীয় আবদুল হামিদ খান সংস্কার করান।

এভলিয়া চেলেবি লিখেছেন যে, উসমানি আমলে জান্নাতুল মুআল্লায় মহানবীর (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) দাদা, চাচা, অন্যান্য সাহাবী ও ইসলামের বুজুর্গদের পঁচাত্তরটি মাজার ছিল।

আরাফাতের কিবলামুখী ডান পাশ

মিনায় ঈদুল আজহা

(১৩ নভেম্বর ১৮৮০)

উহুদ পাহাড়ে অবস্থিত হযরত হামজার (রাদিয়াল্লাহু আনহু) মাজার ও মসজিদ

মসজিদে জাবালে আইনিয়া: হযরত হামজা (রাদিয়াল্লাহু আনহু) এখানে শহিদ হন। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) অস্ত্রসজ্জিত ও যুদ্ধসাজে থাকা অবস্থায় এখানে নামাজ আদায় করেছিলেন।

মিনা

হামিদিয়া মসজিদ – মক্কা

হযরত আইয়ুব সুলতানের ঘর

উসমানি সেনানিবাস – মক্কা

তাইয়িবা হাম্মাম – মদিনা

রাইসিয়া মিনার – মদিনা

বাবুস সালাম – মদিনা

একটি উসমানি স্থাপত্যকীর্তি – মক্কা

মক্কা (ডান পাশের মসজিদটি আমাদের প্রিয় নবীর জন্মগৃহ।)